শেষ মূহুর্তে মেয়েটিকে পানি খাওয়াতে পারেনি
মৃত্যুর আগে ইরা 'পানি' খাওয়ার জন্য অনেক ছটফট করেছিলো, বারবার পানির জন্য আকুতি জানিয়েছিলো। কিন্তু শ্বাসনালী কাটার সার্জারির জন্য পানি দেওয়া নিষেধ ছিলো - সাংবাদিককে আফসোস করে জানাচ্ছিলো ইরার চাচা। ওর পরিবারের এই আফসোসে বুকটা ফেটে যাচ্ছে যে, শেষ মূহুর্তে মেয়েটিকে পানি খাওয়াতে পারেনি।
ওর চাচা দাবী করে , যে পাষণ্ড শিশুটিকে এত কষ্ট দিয়ে ইরাকে মেরেছে। পানি পর্যন্ত খেতে পারেনি। তাঁর ফাঁসি চাই।
রবিবার যা ঘটেছিলো ইরার ভাগ্যেঃ
কুমিরায় দাদার বাড়িতেই ইরার জন্ম। কিন্তু এই ভিটেতে জায়গা স্বল্পতার কারণে ভাড়া বাড়িতে থাকতো ইরারা। বেশী দূরে নয়। কাছাকাছিই। হেঁটেই আসা যায়। পেশায় ইরার বাবা একজন রিক্সাচালক।
জন্ম ভিটা হওয়ায় দাদুর বাড়ির প্রতি টান থেকেই প্রায়ই সে দাদুর বাসায় ছুটে আসতো। রবিবার সকাল ৯টায় সে দাদুর বাসায় যাওয়ার বায়না ধরলে, ওর মা নিষেধ করে। ছোট আরেকটি বোন ছিলো। তাকে কোলে নিয়ে খেলতে বলে। কিন্তু ইরা দাদু বাড়ি থেকে ফিরে এসে বোনকে কোলে খেলবে বলে, বের হয়ে যায়।
